জুমার সালাতের গুরুত্ব

ইসলাম ডেস্ক, দ্য ঢাকা রিপোর্ট ডটকম:

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, জুমা হচ্ছে শ্রেষ্ঠ দিবস। যে ব্যক্তি সুন্দর রূপে ওযু করে জুমার সালাত পড়তে আসবে তার পূর্ববর্তী জুমা থেকে বর্তমান জুমা পর্যন্ত সংগঠিত গুনাহগুলো মাফ হয়ে যায়।

সূরা আল জুমায় ইরশাদ করা হয়েছে, যখন সালাতের জন্য জুমার দিবসে আহবান জানানো হয়, তখনই আল্লাহকে স্মরণের উদ্দেশ্যে চলে এসো এবং ব্যবসায়িক লেনদেন বন্ধ করে দাও। এটা তোমাদের জন্য উত্তম যদি তোমরা জানতে।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি অবহেলা-অলসতা করে পর পর তিন জুমা সালাত ছেড়ে দিল, আল্লাহ তার অন্তরে মোহর মেরে দিবেন। – আবু দাউদ

আরেক হাদীসে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি কোন ওজর এবং অনিষ্টের ভয় ছাড়া জুমার সালাতে অংশগ্রহণ করে না, মুনাফিকের এমন দফতরে তার নাম লিপিবদ্ধ করা হয়, যা কখনো মোছা বা রদ বদল করা হয় না।

তিরমিযী শরীফে আছে, হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) কাছে এমন এক ব্যাক্তির ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করে হলো, যে দিনভর রোজা রাখে এবং রাতভর সালাত আদায় করে কিন্তু জামাতে কিংবা জুমায় হাজির হয় না- তার হুকুম কি? প্রত্যুত্তরে তিনি বললেন- এমতাবস্থায় তার মৃত্যু হলে সে জাহান্নামে যাবে।

হযরত আলী (রাঃ) বলেন, মসজিদের প্রতিবেশীর সালাত মসজিদ ছাড়া আদায় হয় না। বলা হলো মসজিদের প্রতিবেশী কে ? তিনি বললেন, যে আযান শুনতে পায়।

আল্লাহপাক বলেন, হাটু পর্যন্ত পা খোলার দিনের কথা স্মরণ কর, যেদিন তাদের সেজদা করতে আহবান করা হবে, তখন তারা সেজদা করতে পারবে না। তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে, তারা অপমান ও লাঞ্ছনাগ্রস্থ হবে। অথচ তারা যখন সুস্থ অবস্থায় ছিলো, তখন তাদের সিজদা করার জন্য আহবান জানানো হতো – সূরা: আল কলম-৪২-৪৩। সূত্র: জাগো নিউজ।

বিষয়বস্তু:
Share.

Leave A Reply