শিগগিরই শুরু হচ্ছে শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালের কাজ

DAC

নিউজ ডেস্ক, দ্য ঢাকা রিপোর্ট ডটকম।।

হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের কাজ শুরু হচ্ছে শিগগিরই। ইতিমধ্যে এ প্রকল্পের নকশা চূড়ান্ত হয়েছে। দেড় বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে অত্যাধুনিক এ টার্মিনালের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে ২০১৯ সালের মধ্যে। প্রকল্প বাস্তবায়নে তিনটি দেশের সঙ্গে আলোচনা করছে সরকার।  ইতিমধ্যে অনেক অগ্রগতিও হয়েছে। শিগগিরই চূড়ান্ত হবে কোন দেশ পাচ্ছে এ প্রকল্পের কাজ। বিমান মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য। দীর্ঘদিন ধরেই শাহ

জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ধারণক্ষমতা নিয়ে আলোচনা চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি যাত্রী ব্যবহার করছেন এই বিমানবন্দর। ফলে বিভিন্ন এয়ারলাইনসের একাধিক আন্তর্জাতিক ফ্লাইট একই সঙ্গে শাহজালালে অবতরণ করলে যাত্রীদের চাপ বেড়ে যায়। এসব কারণে অনেক দিন ধরেই তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের বিষয়টি আলোচনায় ছিল। শেষ পর্যন্ত কয়েক মাস আগেই তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের জন্য প্রক্রিয়া শুরু করে সরকার। মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, নতুন টার্মিনাল নির্মাণের লক্ষ্যে গত বছর তিনটি দেশের সঙ্গে সরকারের আলোচনা হয়। এর মধ্যে চীন, মালয়েশিয়া ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) রয়েছে। সরকার টু সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য তিনটি দেশের সঙ্গেই বাংলাদেশ আলোচনা করেছে। এ তিনটি দেশের পক্ষ থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পের জন্য ইতিমধ্যে তিনটি প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে সরকারকে। বিমান মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, দেশগুলোর দেওয়া তিনটি প্রস্তাব বিবেচনা করা হচ্ছে। শিগগিরই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে জানিয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। এদিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালটির নকশা ইতিমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। নকশাটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান জিডিসিকে নিয়ে যৌথভাবে তৈরি করেছে কোরীয় প্রতিষ্ঠান ইউশিন ও সিঙ্গাপুরের একটি ফার্ম। নকশা অনুযায়ী এটি হবে একেবারে অত্যাধুনিক টার্মিনাল। থাকবে সব ধরনের সুবিধা। যাত্রী ধারণক্ষমতা থাকবে বর্তমানের চেয়ে তিনগুণ। এ টার্মিনাল থেকে বর্তমান ভিভিআইপি গেটের বিপরীতে নির্মাণাধীন ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে যুক্ত হবে একটি সাবওয়ে (আন্ডারপাস)। এ সাবওয়ের মাধ্যমে তৃতীয় টার্মিনাল থেকে যাত্রীরা গাড়ি নিয়ে সরাসরি চলে যেতে পারবেন এক্সপ্রেসওয়েতে। এতে সময় যেমন বাঁচবে, পড়তে হবে না যানজটেও। মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বিমানবন্দরের বর্তমান অভ্যন্তরীণ টার্মিনাল থেকে শুরু করে ক্যান্টমেন্টের কুর্মিটোলা গলফ মাঠের সীমানা পর্যন্ত, অর্থাৎ বিমানবন্দরের সীমানা যেখানে শেষ হয়েছে সেখান পর্যন্ত বিস্তৃত হবে তৃতীয় টার্মিনাল। চলতি বছর শুরু হয়ে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে। সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

বিষয়বস্তু:
Share.

Leave A Reply