১০ চৈত্র, ১৪২৩|২৪ জমাদিউস-সানি, ১৪৩৮|২৪ মার্চ, ২০১৭|শুক্রবার, দুপুর ১২:০৩

তৃষ্ণা মোদক-এর ঘাতক বাসচালকের শাস্তি দাবি, সড়ক অবরোধ

নিউজ ডেস্ক, দ্য ঢাকা রিপোর্ট ডটকম:

বাসচাপায় চিকিৎসক তৃষ্ণা রানী মোদক নিহতের ঘটনায় রাজপথে নেমেছে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর কলাবাগানে বাসচাপায় নিহত হন ২৭ বছরের এ নারী চিকিৎসক। মৃত্যুকালে তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। এ ঘটনায় জড়িত বাসচালকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বুধবার রাজধানীতে সড়ক অবরোধ করে সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধনে অংশ নেন মেডিক্যাল শিক্ষার্থীরা।

রাজধানীর মিরপুর রোডে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর শিক্ষার্থীরা ঘাতক বাসচালকের শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ করে। এ সময় সেখানে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে খুনি চালকের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। সবার জন্য, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ সড়কের দাবি জানান তারা।

নিহতের পরিবার জানায়, বেলা পৌনে ১১টার দিকে তৃষ্ণা বাসের জন্য কলাবাগান বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়ানো ছিলেন। এ সময় মিরপুর রোডে চলাচলকারী মিরপুর লিংক নামের একটি বাস তাঁকে ধাক্কা দেয়। এতে তৃষ্ণা গুরুতর আহত হন। দ্রুত তাকে পাশের আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর আড়াইটার দিকে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় বাসটি ও বাসচালকের সহযোগী মো. মুর্শেদকে আটক করা হয়েছে, চালক পালিয়েছেন।

Trishna Modak Human Chain SSMC 03_The Dhaka Report

২০১৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ডা. কিয়ায়সুক মোদক-এর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তৃষ্ণা রানী মোদক। তৃষ্ণা সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এমবিবিএস পাস করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এনেসথেশিয়া বিষয়ে উচ্চতর কোর্স করছিলেন। সেখানে তিনি ইন্টার্ন চিকিৎসক হিসেবে কাজ করতেন।

নিহতের বাড়ি টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে। তিনি ২৭ নং কলাবাগানের প্রথম লেনে থাকতেন। মঙ্গলবার সকালে কলাবাগান বাস স্ট্যান্ড এলাকায় রাস্তা পার হবার সময় মিরপুর লিংক নামের একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে আনোয়ার খান মর্ডান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করলে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা মেডিকেলে। ঘাতক বাসচালককে আটক করা হয়েছে।

তৃষ্ণা রানী মোদক-এর গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায়। তিনি ২০০৮- ০৯ সেশনে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। ২০১৪ সালে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন।

Share.

Leave A Reply