৮ মাঘ, ১৪২৪|৩ জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৩৯|২১ জানুয়ারি, ২০১৮|রবিবার, সন্ধ্যা ৬:০৭

‘লাইট-জুয়েলারি’ কিনতে ভিড় তুরস্কের প্যাভিলিয়নে

বিজনেস ডেস্ক, দ্য ঢাকা রিপোর্ট ডটকম: বাহারি লাইটিং সামগ্রী নিয়ে এবারের বাণিজ্য ক্রেতা-দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে তুরস্ক প্যাভিলিয়ন। মেলামাইন পণ্য, চুড়ি, ব্রেসলেট, নেকলেস আর হরেক রকম শোপিস-এর জন্যও জনপ্রিয়তা পেয়েছে এ প্যাভিলিয়ন।

গত ১২ বছর ধরে মেলায় অংশ নিচ্ছে ইউরোপের এ সমৃদ্ধ দেশটি। দেশটির জমকালো ও নজরকাড়া পণ্যসামগ্রী সবসময়ই ক্রেতাদের আকৃষ্ট করেছে।

রুম কর্নার লাইট, টেবিল ল্যাম্প, দেয়াল লাইট, ঝাড়বাতি, ফেনসি ব্রাকেট, স্ট্যান্ড লাইটের চমৎকার সরবরাহ দেখা যাবে এই প্যাভিলিয়নে। বিভিন্ন আকৃতির ও বিভিন্ন দামের এভিল আই পাওয়া যাচ্ছে বাণিজ্য মেলায়। আকার ও রঙে আনা হয়েছে ভিন্নতা। দামেও আছে তারতম্য। তবে মেলায় দর্শনার্থীদের জন্য ২০ শতাংশ ছাড় দেয়া হয়েছে।

বিভিন্ন ধরনের স্ট্যান্ড লাইটের দাম পড়বে ২০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। তবে ছোট আকারের স্ট্যান্ড লাইট আপনি পেতে পারেন ১৮ হাজারে। একইভাবে ঝাড়বাতির দামও ভিন্ন রকম। কোনোটা ২৩ হাজার, কোনোটা ২৬ হাজার, কোনোটা ২৮ হাজার টাকা।

১২ বছর ধরে প্যাভিলিয়নটির সঙ্গে সম্পৃক্ত ওমর আলী জানালেন, মেলায় তাদের একটি গ্রাহকশ্রেণি আছে। যারা তুরস্কের এসব লাইট খুবই পছন্দ করেন। তারা প্রতিবারই আসেন। দাম যেহেতু তুলনামূলক বেশি। তাই সাধারণ উচ্চ শ্রেণির ক্রেতাই তাদের বেশি।

তিনি জানান, কুল্লু ঝাড়বাতির দাম পড়ে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। ৩/৪/৫ ফিটিং এসব ঝাড়বাতি ঘরকে করে আলোচিত। ঘরকে দেয় ভিন্ন আবহ।

এছাড়া টেবিল-ল্যাম্পও পাওয় যাবে বিভিন্ন ধরনের। যেগুলোর দাম পড়বে ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত। তুরস্কের প্যাভিলিয়নে পাওয়া যাবে বিশেষ কিছু শো পিস, টি সেট, ক্যান্ড বক্স, শুকনা খাবার বাটি, মেলামাইনের জিনিসপত্র।

নারীদের ভিড় বেশি বিশেষ চুড়ি, রিং, ব্রেসলেট, নেকলেস ও কোমরের বিছার স্টলে। দামও ৫০০ টাকা থেকে কম বা বেশি। হাতের রিং পাওয়া যাবে ১ হাজার টাকা থেকে। নেকলেস মিলবে ৫০০ টাকায়ও।

প্যাভিলিয়নটির মুখে পাবেন ইভিল আইয়ের ব্রেসলেট, ঘড়ি, দেয়ালে টানানোর ইভিল আই ও চাবির রিং। দাম ২০০ টাকা থেকে শুরু। তবে দুটি নিলে ৩০০ টাকাও পাবেন ক্রেতারা।

ধানমন্ডির বাসিন্দা রুমা মাহমুদ এসেছেন লাইট কিনতে। তিনি জানান, তুরস্কের লাইটগুলো তার প্রিয়। তাই প্রতি বছরই তিনি মেলায় এলে লাইট কেনেন এখান থেকে। এবারও ঝাড়বাতির জন্য এসেছেন।

ইভিল আই সত্যি নজর রুখতে পারবে কিনা সেটি না জানলেও আগ্রহ নিয়ে দরদাম করে ৫০০ টাকায় একটি ইভিল আই কিনলেন আরেক ক্রেতা পাপিয়া রহমান। অন্যদিকে, অনেকে কিনছেন জুয়েলারি-বক্স। দাম হাতের লাগালেই।

৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা প্রাঙ্গণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পণ্য দেখার সুযোগ মিলবে দর্শনার্থীদের।

প্যাভিলিয়নটির সংশ্লিষ্টরা জানালেন, বরাবরই মেলার আকর্ষণে থাকে তুরস্কের প্যাভিলিয়ন। কারণ এই প্যাভিলিয়নে নানা রঙের ঝাড়বাতি, আয়না, অলঙ্কার, তৈজসপত্র থাকে যা সচরাচর বাজারে পাওয়া যাবে না।

Share.

Leave A Reply