শুভ জন্মদিন শেখ গোলামুন্নবী জায়েদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, দ্য ঢাকা রিপোর্ট ডটকম:

টিভিপর্দার জনপ্রিয় মুখ শেখ গোলামুন্নবী জায়েদ। নিউজ ২৪-এর এ নিউজ প্রেজেন্টারের জন্মদিন ২০ জানুয়ারি। শুভ জন্মদিন শেখ গোলামুন্নবী জায়েদ। এই দিনে তিনি গাজীপুরের কাপাসিয়া-র নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।

সাংবাদিকতার তিন ফরম্যাটেই কাজের অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ এ তরুণ। পেশাগত জীবনে কাজ করেছেন অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলানিউজ, প্রাইভেট রেডিও স্টেশন রেডিও টুডে এবং সময় টিভি’র মতো প্রতিষ্ঠানে। সর্বশেষ যুক্ত হন নিউজ ২৪-এর পথচলায়।

বাবার চাকরি সূত্রে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা করেন শেখ গোলামুন্নবী জায়েদ। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশুনা ময়মনসিংহের ভালুকায়। কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে সঙ্গীত বিভাগ থেকে স্নাতক। ক্যাম্পাসে থাকা অবস্থাতেই পত্রপত্রিকায় লেখালেখি আর মঞ্চ নাটকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এ মেধাবী তরুণ।

শেখ গোলামুন্নবী জায়েদের বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকার ভাঁটগাও গ্রামে। বাবা শেখ আলাউদ্দিন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা। তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়।

ব্যক্তিগত জীবনে জায়েদ বিবাহিত। স্ত্রী ওরিন নাশিদ হৃদি একজন সঙ্গীতশিল্পী। পেশায় মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক।

Sheikh Golamunnobi Jayed 03_The Dhaka Report

ঢাকায় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন জায়েদ। বর্তমানে প্রেস ইন্সটিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি)তে সাংবাদিকতায় স্নাতোকোত্তর ডিপ্লোমা করছেন। ঢাকায় মূলধারার গণমাধ্যম হিসেবে কাজ শুরু বাংলানিউজ ২৪ ডটকমের বিনোদন প্রতিবেদক হিসেবে। পরে নিউজ ব্রডকাস্টার হিসেবে যোগ দেন রেডিও টুডেতে। এরপর সময় টিভিতে তিন বছর রিপোর্টার কাম প্রেজেন্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বতর্মানে নিউজ ২৪-এ একইসঙ্গে রিপোর্টিং এবং নিউজ প্রেজেন্টেশনের সঙ্গে যুক্ত আছেন।

প্রকৃতির সান্নিধ্য বেশ উপভোগ করেন শেখ গোলামুন্নবী জায়েদ। তিনি একজন ভালো শ্রোতা ও দশর্ক। আগ্রহ আছে গান শুনা, নাটক দেখার প্রতি। খুব মিস করেন মঞ্চ নাটকে কাজ করার অতীত অভিজ্ঞতা।

নিউজ প্রেজেন্টার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করলেও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোথাও উপস্থাপনা শেখা হয়ে উঠেনি তার। মঞ্চ নাটকের সুবাদে কিছুটা শেখা। এখনো আওয়াজ করেই দেয়াল, ব্যানার আর দোকানের সাইনবোর্ডের লেখা পড়েন। ছোট থেকেই এমন অভ্যাস। ছোটবেলায় বাবাকে পত্রিকা পড়ে শুনাতেন।

কাজপাগল মানুষ জায়েদ। দ্য ঢাকা রিপোর্টকে তিনি বলেন, ভালো কিছু করতে চাই যেন মৃত্যুর পরও মানুষের ভালোবাসা পাই। ভালো লাগে কাজ করতে। যেখানে অন্যায়, অত্যাচার, অবিচার; একজন গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে সেখানে হাজির হওয়ার পর মানুষের চোখে মুখে যে আস্থা দেখি তাতে প্রাণ জুড়িয়ে যায়। তখন নিজেকে আর মধ্যবিত্ত মনে হয় না; বরং সম্মানিত বোধ করি। সমাজে ভালো মানুষের সংখ্যাই বেশি। আসুন নিজে ভালো থাকি; সবাইকে ভালো রাখি।

বিভাগ:জন্মদিন
Share.

Leave A Reply