৮ মাঘ, ১৪২৪|৩ জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৩৯|২১ জানুয়ারি, ২০১৮|রবিবার, সন্ধ্যা ৬:৩১

ট্রাম্পের নেপথ্যের সেই মানুষ

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, দ্য ঢাকা রিপোর্ট ডটকম: কখনও একান্ত কোনও আলোচনা। কখনওবা আবার দীর্ঘ বৈঠকের ফাঁকের অবসর। হোয়াইট হাউসের কর্মীদের মধ্যে তাকেই ট্রাম্পের সঙ্গে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায়। তবে ওয়াশিংটনের আনুষ্ঠানিক ডিনারগুলোও তিনি এড়িয়ে চলেন। টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে সচারচর দেখা মেলে না তার। প্রেসকে এড়িয়ে চলেন যতোটা পারেন। সম্প্রতি আলফালফা ক্লাবে ট্রাম্পের এক নৈশভোজ থেকে হোয়াইট হাউসের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা বেরিয়ে আসার পরও যথারীতি সেখানে থেকে যান তিনি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম পলিটিকো-র কাছে এভাবেই স্টিভ ব্যানন-এর বর্ণনা দিলেন হোয়াইট হাউসের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা।

স্টিভ ব্যানন-এর পুরো নাম স্টিফেন কেভিন স্টিভ ব্যানন। ট্রাম্পের মুখ্য নীতিনির্ধারকের দায়িত্ব পাওয়া এই ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীল রাজনৈতিক সংবাদমাধ্যম ব্রাইটবার্ট নিউজ নেটওয়ার্কের এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান। সংবাদমাধ্যমটি প্রচলিত বামপন্থী আদর্শ এবং মূল রক্ষণশীল ধারাকে অস্বীকার করে। ৬২ বছর বয়সী ব্যানন ২০১২ সালে ব্রাইটবার্টের দায়িত্ব নেন। এর আগে সাবেক এই নৌ কর্মকর্তা ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকার এবং হলিউডে প্রযোজক হিসেবেও কাজ করেছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোর এক খবর অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, মেয়ে ইভানকা এবং জামাতা কুশনারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ব্যানন-এর। ব্যানন যেমন ট্রাম্পের কাছে বিপুল আস্থার জায়গা, ব্যাননের তেমনই এক আস্থার জায়গা হলেন স্টিফেন মিলার। ২০১৩ সালের সংস্কার সংক্রান্ত আটটি অভিবাসনবান্ধব বিল নিবৃত্ত করতে সম্মিলিত প্রয়াসে কাজ করেছেন তারা। অথচ রিপাবলিকান পার্টির অনেকেই ভেবেছিলেন এ বিলগুলো পাস হতে যাচ্ছে।

এসব বিলের ভিত দুর্বল করে দিতে ব্রাইটবার্ট-এর কাছে এ সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করতে থাকেন স্টিফেন। শেষ পর্যন্ত প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার জন বোয়েনার এটি ভোটাভুটির জন্য হাউসে উপস্থাপনে অস্বীকৃতি জানানোর ফলে বিলগুলোর অপমৃত্যু ঘটে। অবশ্য অভিবাসন ইস্যুতে গোড়া থেকেই যথেষ্ট নেতিবাচক অবস্থানে ছিলেন ট্রাম্প।

ট্রাম্প দৃশ্যপটে উঠে আসার আগে মাঠের রাজনীতিতে তাকে পরিচিত করতে সহায়তা করেছিলেন স্টিভ ব্যানন এবং ট্রাম্পের আরেক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা স্টিফেন মিলার। ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ট্রাম্পের উত্থানের জন্য প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক এবং ভাবাদর্শগত কাঠামোর ভিত্তি স্থাপনে সাহায্য করেন তারা। ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম দিকের তালিকা অনুযায়ী, জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের জন্য ব্যাননের নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের স্পর্শকাতর গোয়েন্দা কার্যক্রমের জন্য তাকে বাছাইয়ের কথা উঠেছিল। পরে মুখ্য কৌশলবিদ হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসনে পদাধিকারের চেয়েও তার গুরুত্ব অনেক বেশি।

Steve Banon 02

প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে দাফতরিকভাবে যুক্ত থাকেন বেশকিছু কর্মকর্তা। তারা প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের অফিসিয়াল ঘোষণার জন্য প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক কাজগুলো করে থাকেন। এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম সপ্তাহের যে ‘অ্যাকশন প্ল্যান’ সেটাও মূলত স্টিভ ব্যানন এবং স্টিফেন মিলার-এর তৈরি। তাদের তৈরি করা রূপকল্প অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের প্রথম সাত দিন পার করেছেন ট্রাম্প। নির্বাহী আদেশ থেকে শুরু করে প্রেসিডেন্টের ইস্যু করা নোট বা চিঠিও এর অন্তর্ভুক্ত। যে কোনও নতুন নথিতে ট্রাম্প যখন স্বাক্ষর করেন তখন নেপথ্যের সিদ্ধান্ত আসে এ দুজনের কাছ থেকেই। অর্থাৎ, প্রেসিডেন্টের হয়ে মূল সিদ্ধান্তটা তারাই নেন।

প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সখ্যতার কারণে ওয়াশিংটনের এস্টাবলিশমেন্ট তথা রিপাবলিকান পার্টির প্রভাবশালীদের কাছে ব্যানন চক্ষুশূল। এই অন্তর্বর্তী সময়ে অপেক্ষাকৃত ছোটখাটো নিয়োগের মতো ব্যাপারগুলো থেকে দূরে ছিলেন স্টিভ ব্যানন। অন্তর্বর্তী প্রশাসনের বৈঠকে ট্রাম্পের অন্য কর্মীরা উপস্থিত থাকলেও তিনি এগুলো এড়িয়ে যেতেন। এসবের বদলে তিনি বরং ব্যস্ত ছিলেন ট্রাম্পের মন্ত্রিসভার মৌলিক কাঠামো দাঁড় করানো নিয়ে। টিম ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ একজন জানিয়েছেন, ট্রাম্পের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যথাযথ ব্যক্তিদের বাছাইয়ে স্টিভ ব্যানন ছিলেন একক ব্যক্তি।

নিউ ইয়র্কের সাবেক মেয়র রুডি গিউলিয়ানি। তার ভাষায়, “তিনি (স্টিভ ব্যানন) আমেরিকান জনগণকে খুব ভালোভাবে বুঝতে পারেন এবং এ কারণেই ট্রাম্প জিতেছেন। মানুষ আসলে কি কারণে মর্মাহত, বিপর্যস্ত; আসলেই তাদের উদ্বেগের জায়গাটা কোথায়; সেটা তিনি ট্রাম্পকে বলেছেন।” রুডি গিউলিয়ানি বলেন, “ট্রাম্প সাধারণত তার (স্টিভ ব্যানন) সঙ্গে সহমত পোষণ করেন।”

বাস্তবতা হচ্ছে স্টিভ ব্যানন-এর উত্থান ঘটেছে। তবে তার এমন উত্থানে শঙ্কিত ট্রাম্পের সমালোচকরা। তাদের শঙ্কার মূলে রয়েছে ব্রাইটবার্ট-এর মতো চরম ডানপন্থী একটি ওয়েবসাইটের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা। যুক্তরাষ্ট্রের শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যকামী ‘অল রাইট’ গ্রুপের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক আছে ব্রাইটবার্ট-এর। নব্য নাৎসীবাদী এ গ্রুপটি কথিত ইসলামভীতির প্রসার এবং নারীবাদের বিরোধিতায় সরব।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আইনি সহায়তা প্রতিষ্ঠান ‘সাউদার্ন প্রপার্টি ল সেন্টার’। এ সংস্থাটি মূলত নাগরিক অধিকার ও জনস্বার্থের মতো বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে। হোয়াইট হাউসে স্টিভ ব্যানন-এর নিয়োগের পর সংস্থাটি বলেছে, ‘ব্রাইটবার্ট-এর নেপথ্যের প্রধান চালক এখন নৃতাত্ত্বিক শেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদীদের প্রপাগান্ডার কারখানায় পরিণত হচ্ছেন।” স্টিভ ব্যানন শিবির থেকে অবশ্য ‘সাউদার্ন প্রপার্টি ল সেন্টার’-এর দাবি নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, স্টিভ ব্যানন বর্ণবাদী কিংবা অ্যান্টি সেমিটিক নন।

স্টিভ ব্যানন এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প

স্টিভ ব্যানন এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরেক উপদেষ্টা স্টিফেন মিলার-কে বলা হয় স্টিভ ব্যানন-এর ডান হাত। আদর্শিক মিল থাকা এই দুই ব্যক্তি নির্বাচনি প্রচারণার প্রায় পুরোটা সময় ট্রাম্পের পেছনে ব্যয় করেছেন। রিপাবলিকান পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিনিয়ত চষে বেড়িয়েছেন দেশজুড়ে। এভাবে ট্রাম্পের সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধন তৈরি হয়। এমনকি নির্বাচনি সমাবেশগুলোতেও তারা রাজনীতির মাঠে অপেক্ষাকৃত নতুন খেলোয়াড় ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরিচয় করিয়ে দিতেন।

বহুল আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেওয়া ট্রাম্পের অভিষেক ভাষণের স্ক্রিপ্ট-ও লিখে দিয়েছিলেন স্টিভ ব্যানন এবং স্টিফেন মিলার। শপথ গ্রহণের পর থেকেই ট্রাম্পকে তারা লড়াকু অবস্থানের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন; বিশেষ করে সংবাদমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে।

স্টিভ ব্যানন এবং স্টিফেন মিলার দুজনই মাঝেমধ্যেই ক্ষমতাসীন দল রিপাবলিকান পার্টির অন্য নেতৃবৃন্দ এবং হোয়াইট হাউসের কর্মীদের সঙ্গে দ্বন্দ্বে লিপ্ত হন। তাদের দাবি, এ দুজন অন্যদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করছেন। হোয়াইট হাউসের অন্য কর্মী এটা নিয়ে উদ্বিগ্ন যে, এ দুজনের পলিসি অসম্ভব দ্রুত গতিতে বাস্তবায়িত হয়। অথচ সেটা করা হয় যৎসামান্য পরিকল্পনা নিয়ে। যদিও ট্রাম্পকে স্টিভ ব্যানন এবং স্টিফেন মিলার দুজনেরই প্রশংসা করতে দেখা গেছে।

স্টিফেন মিলার-এর সঙ্গে স্টিভ ব্যানন-এর কাজের সম্পর্কের ব্যপ্তি মূলত ২০১৩ সাল থেকে। ওই সময়ে স্টিফেন মিলার ছিলেন আলাবামা-র রিপাবলিকান দলীয় সিনেটর জেফ সেশনস-এর একজন সহযোগী। এই জেফ সেশনসকে ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে মনোনীত করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ পদে তার নিয়োগে আপত্তি তোলায় ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সমালোচনা করেছে হোয়াইট হাউস। হোয়াইট হাউজের এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে তারা সিনেটে জেফ সেশনসের নিয়োগ আটকে রেখেছেন।

২০১৬ সালের নভেম্বরে নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রচারণায় ভূমিকা রেখেছে স্টিভ ব্যানন-এর ওয়েবসাইট ব্রাইটবার্ট। ব্যানন ব্রাইটবার্ট নিউজ নেটওয়ার্কে যোগ দেওয়ার সময় ব্রাইটবার্টকে ডানপন্থীদের হাফিংটন পোস্ট বানানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেছেন, নতুন প্রশাসনের এজেন্ডা এগিয়ে নিতে কাজ করার সুযোগ দেওয়ায় তিনি নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ দিতে চান।

Steve Banon 04

সম্প্রতি নিউইয়র্ক টাইমসের সাথে এক ফোনালাপে তিনি বলেন, “মিডিয়াকে এ নিয়ে বিব্রত এবং অপমানিত বোধ করতে হবে। তাদেরকে মুখ বন্ধ রাখতে হবে এবং কিছু সময়ের জন্য শুধু শুনতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “মিডিয়াই হচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসনের আসল বিরোধী দল। তারা আমাদের দেশকে ঠিকমতো বোঝে না। তারা এখনও জানে না কেন ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।”

উল্লেখ্য, কর্পোরেট মিডিয়ার বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যে বলিষ্ঠ অবস্থান, তার নেপথ্যেও নাকি রয়েছেন এই ব্যানন। নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের পরপর মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকো এক আশঙ্কার কথা জানিয়েছিল। অসুসন্ধানী ধারার বিশ্লেষণের মধ্য দিয়ে তারা বলতে চেয়েছিল, ব্যাননকে নিয়ে ডেমোক্র্যাট ধারার কর্পোরেট সিস্টেমের বাইরে আলাদা ধারা হিসেবে মিডিয়া-প্রতিষ্ঠান দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে ট্রাম্প শিবির।

ব্যানন প্রতিনিয়ত বলে চলেছেন, বিশ্বব্যাপী খ্রিস্টানরা ‘হুমকির মুখে’ রয়েছে। তার দাবি, চীনে এবং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলো, বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যে খ্রিস্টানরা সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত। ব্যানন বলেন, ‘চীনারা যুক্তরাষ্ট্র থেকেও, এমনকি অন্য সবকিছুর চেয়েও বেশি ভয় করে খ্রিস্টবাদকে।’

স্টিভ ব্যানন

স্টিভ ব্যানন

ব্যাননের ইসলাম-বিদ্বেষী মনোভাবও সুস্পষ্ট। ব্যানন তার রেডিও প্রপাগান্ডায় কোনও তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই বলেন, দক্ষিণ মেরুতেও মসজিদ রয়েছে। ব্যাননের মতে, শুধু চীনই যুদ্ধের একমাত্র ক্ষেত্র নয়। মার্কিন সেনারা মধ্যপ্রাচ্যে স্থলযুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে বলেও মন্তব্য করেছিলেন এই মার্কিন নীতি-নির্ধারক। ২০১৫ সালের নভেম্বরে ব্যানন বলেন, ‘আমরা একটি যুদ্ধের দিকেই এগোচ্ছি। মধ্যপ্রাচ্যে আমরা স্পষ্টভাবেই এক বিশাল যুদ্ধের দিকে অগ্রসর হচ্ছি।’

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে রেডিওতে তিনি বলেন, ‘আপনার সামনে এক সম্প্রসারণবাদী ইসলাম এবং সম্প্রসারণবাদী চীন উপস্থিত। তারা অনুপ্রাণিত এবং উদ্ধত। তারা এগিয়ে চলেছে; আর ভাবছে পশ্চিমা ইহুদী-খ্রিস্টানরা পশ্চাদপসরণ করছে।’ ব্যানন ইসলামকে বিশ্বের ‘সবচেয়ে উগ্রবাদী ধর্ম’ বলে উল্লেখ করেছেন। আর ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর মুসলিমবিরোধী যেসব নির্বাহী আদেশ দেওয়া হচ্ছে, তা ব্যাবনের পরিকল্পনা অনুযায়ীই দেওয়া হয়েছে। একে ‘ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ বলে বর্ণনা করেছেন কোনও কোনও বিশ্লেষক।

সূত্র: পলিটিকো, দ্য গার্ডিয়ান, ইন্টারসেপ্ট, বাংলা ট্রিবিউন।

Share.

Leave A Reply