৬ মাঘ, ১৪২৪|১ জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৩৯|১৯ জানুয়ারি, ২০১৮|শুক্রবার, রাত ১১:৩০

নষ্ট সমাজের প্রতিচ্ছবি

মোশাররফ পাটওয়ারী অনিক: সাফাত, নাঈম, দিলদার আহমেদরা তথাকথিত অভিজাত নষ্ট সমাজেরই প্রতিচ্ছবি। এই সমাজে হাজারো সাফাত আহমেদরা তাদের যাবতীয় কুকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। মদ, নারী, নেশা তাদের আভিজাত্যের বহিঃপ্রকাশ। আজ এক সাফাত কারাগারে, হাজারো সাফাত ঘরে ঘরে।

হাজারো নাঈম আশরাফরা এই নষ্টামীর দালাল। সাফাতদের অর্থের সঙ্গে বন্ধুত্ব আর কুকর্মের সঙ্গী সমাজের ভদ্রবেশী অনেক প্রভাবশালী। এসব পাপের পরিবেশদাতা এক একটি তারকা আবাসিক হোটেল যেন আজ অভিজাত গণিকালয়।

সাফাত, নাঈমদের দুনিয়ায় শেষ পরিণতি কি হবে জানি না। তবে তাদের বর্তমান মর্যাদাহানি আর ঘৃণ্য পরিণতি হাজারো ধনীর দুলাল আর তাদের অভিভাবকদের জন্য সতর্কবার্তা।

সমাজে হয়তো এসব অপকর্ম, অপমান, শাস্তি দৃশ্যমান হয় এজন্য যে, যাতে ধরা না পড়া হাজারো সাফাত, নাঈমরা এদের পরিণতি থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের সংশোধন করতে পারে। আর নির্যাতনের শিকার দুই তরুণীর ধনীর দুলালদের সঙ্গে বন্ধুত্বের লোভে, স্বেচ্ছায় গভীর রাতে আবাসিক হোটেলে গিয়ে নির্যাতিত হওয়াও অন্য তরুণীদের জন্য সতর্ক সংকেত।

পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, “লা তাকরাবাল যিনা।” অর্থাৎ, তোমরা যিনার কাছে যেও না। কেননা তা অশ্লীল ও নিকৃষ্ট কাজ। (সূরা বনি ইসরাঈল: ৩২)।

হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি ব্যাভিচার আর মদ পান করে, আল্লাহ তার কাছ থেকে ঈমান ঠিক এমনভাবে কেড়ে নেন, যেমন কোনো মানুষ তার মাথার উপর দিয়ে পোষাক খুলে থাকে।

সত্যিই তো আজ এই নষ্ট সমাজ ঈমানের পোষাকহীন, উলঙ্গ। যাদের প্রাপ্তি বংশানুক্রমে দুনিয়াতে ঘৃণা আর আখিরাতে দোজখের কঠিন শাস্তি।

Share.

Leave A Reply