সন্তানের ১০ সমস্যা; মায়েদের এক সমাধান

ফিচার ডেস্ক, দ্য ঢাকা রিপোর্ট ডটকম:
১.
: ইশ্, এই পরীক্ষা নিয়ে যে কী করব, বুঝতে পারতেছি না!
: হাত থেকে মোবাইলটা রাখো। দেখবা, সব ঠিক হয়ে গেছে।
২.
: কী যে রান্না করো না মা তুমি! কিছুই তো ভালো লাগে না।
: সারা দিন মোবাইল টিপলে খেতে ভাল্লাগবে কেন? মোবাইলই তোকে খাবে!
৩.
: টিউশনিটা ছেড়ে দেব ভাবছি। বিরক্ত হয়ে গেছি!
: মোবাইলটা একটু হাত থেকে রাখ। বিরক্তি-ফিরক্তি হাওয়া হয়ে যাবে।
৪.
: মা, পড়ায় মন বসছে না। ভাবছি, ফ্রেন্ডরা মিলে কোথাও ঘুরতে যাব।
: ঘুরতে যেতে হবে না। মোবাইলটা হাত থেকে রেখে চারপাশটা আগে দেখো, তারপর না হয় পাহাড়-পর্বতে যেয়ো।
৫.
: কী শপিং করলাম। ধ্যাত! একটাও পছন্দ হয়নি!
: মোবাইলটা পানিতে চুবালে সব পছন্দ হবে। আমার কাছে দে, আমি বালতিতে চুবাচ্ছি। ওই মোবাইল থেকে দেখেই তো কিনলি! এত করে বললাম, আমি পছন্দ করে কিনে দিই। না, উনি নিজেই কিনবেন।
৬.
: মা, মেসেজ আসছে, কালকে ভার্সিটি অফ!
: অফ–টফ বুঝি না। আমার কাছে মোবাইল জমা রেখে কালকে সোজা ক্লাস করতে যাবা!
৭.
: সারা দিন এত বৃষ্টি। উফ্, কী যে যন্ত্রণা!
: মোবাইল টেপাটেপি করলে বৃষ্টি তো যন্ত্রণাই লাগবে। নিজেও বৃষ্টিতে ভেজো, সাথে ওটারেও ভেজাও!
৮.
: মা, আমি সামনের বছর বিয়ে করতে চাই।
: ওসব পরে। আগে মোবাইলটা হাত থেকে ফালা! বিয়ের ভূত চলে যাবে!
৯.
: ওই চাকরি আমি করব না। এত কম স্যালারির চাকরিতে পোষায় না।
: মোবাইলটা গুঁতাগুঁতি অফ কর। ওটার পেছনে এত টাকা খরচ করলে স্যালারি তো কম লাগবেই।
১০.
: মা, আমার জ্বরজ্বর লাগছে! মনে হচ্ছে চিকুনগুনিয়া!
: মোবাইলটা দে, ওটা আছাড় মেরে ভাঙলে চিকুনগুনিয়া মোটাগুনিয়া সব চলে যাবে! যত্ত সব।

Share.

Leave A Reply