৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৪|২ রবিউল-আউয়াল, ১৪৩৯|২২ নভেম্বর, ২০১৭|বুধবার, রাত ১:৩২

মালদ্বীপের দ্বীপে দ্বীপে

লাইফস্টাইল ডেস্ক, দ্য ঢাকা রিপোর্ট ডটকম: মালদ্বীপ মানেই নীল ঢেউয়ের মাঝে ছোট ছোট দ্বীপের সমাহার। নীল জলরাশির ঢেউ ভাঙে এমন অসংখ্য দ্বীপের সৈকতে। অনেকে বলেন, সমুদ্র সৈকতের সেরা সৌন্দর্য উপভোগের অন্যতম গন্তব্য মালদ্বীপ। সাগরের নীল পানি আর শুভ্র সৈকতের সৌন্দর্য দর্শনে আগ্রহী পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় এক দেশ মালদ্বীপ। দেশটির আরেক বিশেষ আকর্ষণ হচ্ছে প্রবালপ্রাচীরে ঘেরা দ্বীপ। ২৬টি আংটি আকৃতির প্রবাল দ্বীপগুচ্ছ সৈকতপ্রেমীদের জন্য যেন এক টুকরা জান্নাতি আবহ!

সূর্যস্নান, স্কুবা ডাইভিং, মাছ শিকার— সব মিলিয়ে মালদ্বীপের আয়োজন যেন পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডাকে। আর সমুদ্রসৈকত হচ্ছে মালদ্বীপের প্রধান আকর্ষণ। এখানকার মনোমুগ্ধকর সমুদ্রসৈকত সারা দুনিয়ার পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

কোকোয়া দ্বীপের সৈকত স্কুবা ডাইভিংয়ের জন্য আদর্শ। দ্বীপটি কান্দুমা ও গুরাইধু প্রণালির কাছে অবস্থিত। এখানে বিশেষ প্রজাতির কচ্ছপসহ জলজ জীবের বৈচিত্র্য দেখা যায়। যোগ ও

স্পা’র সুবিধাসহ বিলাসবহুল রিসোর্ট আছে। মালদ্বীপে নীল সাগরের অসীম সৌন্দর্য আর স্কুবা ডাইভ উপভোগ করতে কোকোয়া দ্বীপ অন্যতম সেরা গন্তব্য।

নিকা সৈকত প্রবালপ্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং অগভীর ল্যাগুনসমৃদ্ধ দ্বীপ। সূর্য, বালুকা আর নীল স্বচ্ছ পানির এক দারুণ সমন্বয় ঘটেছে এখানে। নাকে টিউব লাগিয়ে যারা অগভীর স্বচ্ছ পানির তলায় ঘুরে বেড়াতে চান, তাদের জন্য নিকা দ্বীপ আদর্শ স্থান। সাঁতার কেটে মালদ্বীপের ঐতিহ্যবাহী খাবার খাওয়া পর্যটকদের জন্য দারুণ অভিজ্ঞতা।

প্রবালপ্রাচীরে ঘেরা ভাব্বিনফারু সৈকতে নানা রঙের মাছ ঘুরে বেড়ায়। স্থানীয় ও বিভিন্ন দেশের খাবার, চাঁদের আলোর নিচে বসে রাতের খাবার আর নানা ধরনের খেলা এ দ্বীপে যাওয়া যে কারোর মন ভরিয়ে দেয়। জলজ প্রাণীর জন্য সংরক্ষিত এলাকা পশুপ্রেমীদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ। সুস্বাদু খাবার, প্রাণবৈচিত্র্য ও সাগরের সৌন্দর্য মিলিয়ে এ দ্বীপ মালদ্বীপের অন্যতম আকর্ষণ।

রিথি সৈকত হচ্ছে মালদ্বীপের উত্তরাংশে প্রবালপ্রাচীরে ঘেরা ৭৫টি দ্বীপের সমাহার বা অ্যাটল। এদের মধ্যে ১৩টি দ্বীপে মানুষের বসতি আছে। অ্যাটল ২০১১ সালের জুনের ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ হিসেবে ঘোষিত হয়। এ অ্যাটলের একটি ক্ষুদ্র দ্বীপের নাম ফনিমাগুধু। মাত্র ৬০০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ২০০ মিটার প্রস্থের এ দ্বীপে গড়ে উঠেছে পরিবেশবান্ধব রিসোর্ট। সৈকতের বালুকাবেলা থেকে একটু দূরেই আছে প্রবালপ্রাচীর। সৌন্দর্যের জন্য সৈকতটি বিখ্যাত। সূত্র: লোনলি প্ল্যানেট।

Share.

Leave A Reply