৮ মাঘ, ১৪২৪|৩ জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৩৯|২১ জানুয়ারি, ২০১৮|রবিবার, সন্ধ্যা ৬:১৪

বাণিজ্য মেলার প্রধান ফটক হবে পদ্মা সেতুর আদলে

বিজনেস ডেস্ক, দ্য ঢাকা রিপোর্ট ডটকম: ২৩তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা প্রধান ফটক হবে পদ্মা সেতু এবং ঐতিহ্যের ঢাকা গেটের আদলে। বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়নে থাকবে বঙ্গবন্ধুর ওপর দেশের প্রতিথযশা চিত্রশিল্পীদের আঁকা ২৬টি চিত্রকর্ম। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) জানিয়েছে, এরইমধ্যে মেলার ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

সাধারণভাবে মেলায় স্টল বাড়ানোর প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হলেও এবার তার উল্টোটা ঘটছে। কমছে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের স্টল। স্টল ও প্যাভিলিয়ন থাকছে ৫৪০টি প্রতিষ্ঠানের। গতবছর এ সংখ্যা ছিল ৫৮৪টি। অর্থাৎ এবার স্টল কমছে ৪৪টি।

এবারের মেলায় ডিজিটালাইজেশন বা তথ্য-প্রযুক্তিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। থাকবে ডিজিটাল এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারের মতো সুবিধা। মেলায় অবস্থিত স্টল ও প্যাভিলিয়নের অবস্থান জানা যাবে এর মাধ্যমে। সহজেই কাঙ্ক্ষিত স্টল খুঁজে পাবেন দর্শনার্থীরা। এছাড়া প্রথমবারের মতো থাকছে অর্কিডের বাগান।

মেলা চলবে পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে মেলা প্রাঙ্গন। বড়দের জন্য জনপ্রতি ৩০ টাকা আর ছোটদের জন্য ২০ টাকা প্রবেশ ফি ধরা হয়েছে।

ফ্ল্যাশব্যাক বাণিজ্য মেলা ২০১৭ শিশুপার্ক

ইপিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশসহ ১৭টি দেশ অংশ। বাংলাদেশ ছাড়া অন্য দেশগুলো হচ্ছে তুরস্ক, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, মালদ্বীপ, ইরান, যুক্তরাজ্য, ভারত, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর, ভুটান, মরিশাস, ভিয়েতনাম, হংকং ও নেপাল।

বিদেশি প্যাভিলিয়নগুলোর মধ্যে তুরস্কের প্যাভিলিয়ন বরাবরই দর্শনার্থীদের নজর কাড়ে। মানসম্মত হওয়ায় দেশটির বাহারি লাইটিং সামগ্রী থেকে শুরু করে মেলামাইন পণ্য, চুড়ি, ব্রেসলেট, নেকলেস ও বিভিন্ন রকম শোপিস-এর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ দেখা যায়। বিশেষ করে রুম কর্নার লাইট, টেবিল ল্যাম্প, দেয়াল লাইট, ঝাড়বাতি, ফেনসি ব্রাকেট, স্ট্যান্ড লাইটের সমৃদ্ধ সংগ্রহ থাকে প্যাভিলিয়নটিতে।

মেলায় এবারও মা ও শিশু কেন্দ্র, শিশুপার্ক, ই-পার্ক, এটিএম বুথ, রেডিমেড গার্মেন্টস, হোমটেক্স, ফেব্রিকস পণ্য, হস্তশিল্পজাত, পাট ও পাটজাত, গৃহস্থালি ও উপহারসামগ্রীর স্টল থাকছে। বাদ যাবে না চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, তৈজসপত্র, সিরামিক, প্লাস্টিক, পলিমার পণ্য, কসমেটিকস হারবাল ও প্রসাধনীসামগ্রী, খাদ্য ও খাদ্যজাত পণ্য, ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকসামগ্রী, ইমিটেশন ও জুয়েলারি, নির্মাণসামগ্রী ও ফার্নিচার সামগ্রীর স্টলও।

মেলায় চারস্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন ইপিবি’র উপসচিব মো. আবদুর রউফ। পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসারের পাশাপাশি থাকবে সাদা পোশাকধারী গোয়েন্দাদের উপস্থিতি। মেলা চলাকালে সার্বক্ষণিক চালু থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা।

বিভাগ:বিজনেস
Share.

Leave A Reply