৮ মাঘ, ১৪২৪|৩ জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৩৯|২১ জানুয়ারি, ২০১৮|রবিবার, সন্ধ্যা ৬:১৪

বাণিজ্য মেলা ঘিরে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

বিজনেস ডেস্ক, দ্য ঢাকা রিপোর্ট ডটকম: ২৩তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার পর্দা উঠবে ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি (সোমবার)। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে মেলা উদ্বোধনের কথা রয়েছে। মাসব্যাপী এ আয়োজন শুরুর এখনও ১২ দিন বাকি থাকলেও মেলার সব প্রস্তুতি ২৭ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে। কর্তৃপক্ষের এমন তাগাদার কারণে শেষ মুহূর্তে বেশ জোরেশোরেই চলছে মেলার প্রস্তুতি।

এবার মেলায় ১৪ ক্যাটাগরিতে থাকছে দেশ-বিদেশের ৫২০টি স্টল ও প্যাভিলিয়ন। দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে দৃষ্টিনন্দন ১৪টি বাগান, তিনটি রেস্তোরাঁ, ইকোপার্ক, শিশুপার্ক, পর্যাপ্ত টয়লেট, এটিএম বুথ, মসজিদ, প্রতিবন্ধীদের জন্য অটিজম সেন্টার, মাদার কেয়ার সেন্টার ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার মতো সুবিধা। বেঁধে দেওয়া সময়ের আগেই তাই সব গুছিয়ে নিতে কাজ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরেজমিনে রাজধানীর আগারগাঁও-এর অস্থায়ী মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা গেছে, কেউ ইট, বালু আনছেন প্লট ভরাট করতে আবার কেউ ব্যস্ত স্টলের কাঠামো নির্মাণ বা ডেকোরেশনের কাজে। রবিবার দিবাগত রাত ২টার দিকেও ব্যস্ততা দেখা গেছে মেলার বিভিন্ন স্টলে।

স্টলগুলোতে কর্মরত শ্রমিকদের একটি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এইচ এম মামুন নামের একজন ঠিকাদার। তিনি ছোট-বড়, দেশি-বিদেশি মিলে ৩১টি স্টলের ডেকোরেশন, পেইন্ট এবং লাইটিং-এর কাজ নিয়েছেন। ২৭ ডিসেম্বরের মধ্যেই তাকে কাজ শেষ করতে হবে। আর তাই সকাল ৯টা থেকে শুরু করে রাতভর লোকজন নিয়ে কাজ করছেন তিনি।

এইচ এম মামুন বলেন, আমি প্রতিবছর ঢাকা ও চট্টগ্রামের মেলার মাঠে কাজ নেই। এক্ষেত্রে কমিটমেন্ট থেকে এক বিন্দু নড়চড় হওয়ার সুযোগ নেই। দর্শনার্থীদের চোখে কোনো একটা বিষয় খারাপ লাগলে মালিকরা সেটাকে প্রেস্টিজ ইস্যু মনে করেন। ফলে এখানে চোখ-কান খোলা রেখে কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই।

৮ সদস্যের একটি কাঠমিস্ত্রীর দল নিয়ে কাঠের দেয়াল ও ফার্নিচার নির্মাণের কাজ করছে ‘নিউ ফার্নিচার’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। তাদের লাইন চিফ মাসুদ রানা বলেন, আমরা দু’টা স্টল ডেকোরেশনের কাজ করছি। কাজ বুঝিয়ে দিতে হবে আগামী ২৫ তারিখের মধ্যেই। তাই শেষ সময়ে কাজের চাপ বেড়েছে। সকালে ৯টা থেকে শুরু করে রাত ৪টা পর্যন্তও কাজ চলে।

মেলার মূল ফটকে এবার বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হবে। মেলা প্রাঙ্গনে থাকবে শিশু পার্ক, গেমিং জোন, খেলার উপকরণ, ফিশ ও বার্ড অ্যাকুরিয়াম।

Share.

Leave A Reply