৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫|৮ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪০|১৭ নভেম্বর, ২০১৮|শনিবার, দুপুর ২:৩৫

কেন করবেন ফেসিয়াল!

নাহিদ আফরোজ তানি: সুস্থ ও সুন্দর চেহারার জন্য চাই ত্বকের সঠিক পরিচর্যা। ত্বক পরিচ্ছন্ন রাখতে এর কোনো বিকল্প নেই। তবে অনেকেরই ধারণা একবার ফেসিয়াল করেই ফর্সা হয়ে যাবে। আসলে ফেসিয়াল মানুষকে ফর্সা করে না, বরং ত্বক সুস্থ ও পরিচ্ছন্ন রাখে। আর পরিচ্ছন্ন ত্বক মানেই সুন্দর চেহারা।

ফেসিয়াল কি: এটি মূলত কয়েকটি ম্যাসাজের একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া; যা আপনার রক্ত সঞ্চলন বাড়াবে। এতে আপনার ত্বক হবে আরও উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত।

উপকারিতা: নিয়মিত ফেসিয়াল চেহারায় বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। উজ্জ্বলতা বাড়ায়। ব্রণ প্রতিরোধ করে। বলিরেখা কমায়।

কতদিন পর পর করবেন: প্রতি ৩ থেকে ৪ সপ্তাহ পর পর ফেসিয়াল করা ত্বকের জন্য ভালো। তবে অবশ্যই ত্বকের ধরন বুঝে ফেসিয়াল করবেন।

আপনার জন্য সঠিক ফেসিয়াল কোনটি:

তৈলাক্ত ত্বক: আপনার জন্য যথার্থ হচ্ছে পার্ল, গোল্ড, অক্সি ব্রাইট ও ব্রাইটেনিং ফেসিয়াল।

শুষ্ক ত্বক: অ্যারোমা, ফ্রুট, ডায়মন্ড, অ্যালোভেরা, অরেঞ্জ ও চকলেট ফেসিয়ালের মধ্যে বেছে নিতে পারেন যেকোনোটি।

স্বাভাবিক ত্বক: আপনি যদি স্বাভাবিক ত্বকের অধিকারী হন তাহলে আপনি ভাগ্যবান। কারণ এর যত্ন করা খুব সহজ। আপনার জন্য যথাযথ হচ্ছে নরমাল, হারবাল, ফ্রুট, গোল্ড, অ্যারোমা ও ডায়মন্ড ফেসিয়াল। পছন্দ অনুযায়ী এর যেকোনোটি বেছে নিতে পারেন আপনি।

মিশ্র ত্বক: এ ধরনের ত্বকে ফেসিয়ালের ক্ষেত্রে দুইটি বিষয় মনে রাখতে হবে। ১. হাইড্রেশন এবং ২. ব্যালেন্স।

যেহেতু মিশ্র ত্বকের কিছু অংশ তৈলাক্ত আর কিছু অংশ শুষ্ক তাই এমন ফেসিয়াল নির্বাচন করতে হবে যাতে একদিকে ত্বক শুষ্ক হবে না। আবার অন্যদিকে বেশি তৈলাক্তও হবে না। এক্ষেত্রে হারবাল, প্লাটিনাম ফেসিয়াল বা ফ্রুট ফেসিয়াল করাতে পারেন।

সংবেদনশীল ত্বক: এ ধরনের ত্বকের পরিচর্যা কিছুটা কঠিনই বটে। কোনো কিছুই যেন সহ্য হতে চায় না। তাই বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এক্ষেত্রে চকলেট বা ফ্রুট ফেসিয়াল করতে পারেন। আর ফেসিয়ালের সময় স্টিম না দেওয়াই ভালো।

লেখক: রূপবিশেষজ্ঞ; বিউটি কনসালটেন্ট, দ্য ঢাকা রিপোর্ট ডটকম। চেয়ারপারসন: এভারগ্রিন অ্যাডামস অ্যান্ড ইভ

Share.

Leave A Reply