মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রতি খোলা চিঠি

মাননীয় প্রাণপ্রিয় মমতাময়ী নেত্রী,
গত নির্বাচনের পর যারা সাড়ে চার বছরে সংগঠন ও সহযোগী সংগঠনে হঠাৎ এক লাফে জেলা সভাপতির দায়িত্ব করেছেন, তিনি ওই জেলায় যতজনকে দায়িত্ব দেবেন তাদের সবার অবশ্যই রাজনীতিতে বয়স হতে হবে সর্বোচ্চ চার বছর থেকে সর্বনিম্ন তিন দিন। এটাই শতভাগ বাস্তব। কারণ যার রাজনীতির বয়স চার বছর তার আস্থা দুই বছরের মানুষের প্রতি। যার রাজনৈতিক বয়স দুই বছর তার পছন্দ এক বছর বয়সী কেউ।

মানুষ বড় হিংসুটে। কিছুতেই রাজনীতিতে তার চেয়ে বেশি বয়সী যোগ্য ব্যাক্তিকে মেনে নিতে পারে না। একজন জেলা সভাপতির রাজনীতির বয়স যদি হয় দুই থেকে তিন বছর! তাহলে বিবেকের কাছে প্রশ্ন সেই জেলার রাজনীতির অবস্থা কী হবে?

সভানেত্রী মমতাময়ী নেত্রীর প্রতি আবেদন, আপনি ৬৪ জেলায় সংগঠনের প্রধানদের রাজনীতির বয়স কত বছর তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিন। অন্যথায়, এক, দুই বা তিন বছর রাজনীতি করা বড় নেতা ও তাদের সহযোগীরা বিএনপি-জামায়াতের পৃষ্ঠপোষকতায় আপনার ভোটকেন্দ্রের পাহারাদার ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের দাবিয়ে দেবে।

অনুপ্রবেশকারী সেই নবাগত গৃহপালিত নেতারা নৌকার ব্যাজ নিয়ে ধানের শীষে সিল মারবে। আর তাদের সব ক্ষমতার ব্যবস্থা করবে ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর জেলা পর্যায়ে দায়িত্বে থাকা নেতারা।

আমি ছোট হলেও বিষয়টি অতি গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রিয় নেত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। জাতীয় নির্বাচনের আগেই দ্রুত ব্যবস্থা নিন।

১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যেসব হঠাৎ নেতারা জেলা সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন, এই আগে ওয়ার্ড থেকে জেলা পর্যন্ত কোনো দায়িত্ব পালন করেননি, রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না; তদন্ত করে তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নিন। প্রবীণ যোগ্য নেতাদের জেলা সভাপতির ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দিন। গত নির্বাচনের আগে থেকে যারা দলের সঙ্গে জড়িত তাদের মাধ্যমে তৃনমূলের প্রবীণ নেতাকর্মীদের আগামী নির্বাচনে জীবনের মায়া ত্যাগ করে নৌকাকে বিজয়ী করার সুযোগ ও ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার সুযোগ দিন।

নিবেদক: এ বি এম শেখ ফরিদ জীবন, সাংগঠনিক সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি; সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, লক্ষীপুর জেলা ছাত্রলীগ।

বিভাগ:রাজনীতি
Share.

Leave A Reply