‘দ্য হকার্স’ নিয়ে পথ চলছেন তাসনিয়া ইরা

ফরিদ জাকারিয়া, দ্য ঢাকা রিপোর্ট ডটকম: ফিটফাট পোশাক আর স্টাইলিশ জুতাতেই এখন আর ‘ফ্যাশনেবল’ শব্দটা আটকে নেই। সুন্দর একটা ব্যাগও কিন্তু আপনার পুরো লুকে নিয়ে আসতে পারে চমক। সেজন্য হাতের ব্যাগটা হওয়া চাই এক কথায় অভিজাত। এমন বাহারি সব ব্যাগের খোঁজে ঢুঁ মারতে পারেন অনলাইন শপ ‘দ্য হকার্স’-এ।

প্রতিষ্ঠানটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজের মাধ্যমে অর্ডার করা ছাড়াও জানাতে পারেন আপনার ব্যক্তিগত রুচি-অভিরুচি। শেয়ার করতে পারেন ঠিক কেমনটা আপনি চাইছেন। কেননা, ক্রেতাদের চাহিদার ব্যাপারে সবসময়ই সজাগ ‘দ্য হকার্স’-এর সত্ত্বাধিকারী তাসনিয়া ইরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেদার প্রোডাক্টস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর ইরা ছোটবেলা থেকেই উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। বিয়ের পর স্বামী কামরুজ্জামান লিটনের অনুপ্রেরণায় সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পথে যাত্রা শুরু তার। ফ্যাশন সচেতন ক্রেতাদের হাতে পৌঁছাতে শুরু করলো ইরার ডিজাইন করা চমৎকার সব ব্যাগ।

এদিকে ব্যবসার পরিসর বাড়তে লাগলো। এক পর্যায়ে মার্কেট ঘুরে দেখেন, বাজারে ভালো মানের ব্যাগের দাম অনেক বেশি। ফলে অনেকের জন্যই সাধ ও সাধ্যের মেলবন্ধন ঘটানো কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু ইরা মনে করেন, বাড়তি দাম দিয়ে ব্যাগ কেনার কোনও যুক্তি হয় না। আবার চায়না থেকে এক্সপোর্ট করা ব্যাগগুলোও সব ঘুরেফিরে প্রায় একই ডিজাইন। ফলে অপেক্ষাকৃত কম দামে ভালো কিছু করার চিন্তা আরো জোরালোভাবে পেয়ে বসলো তাকে। আর এমন ভাবনাকে সঙ্গী করেই বিস্তৃত হতে থাকে ‘দ্য হকার্স’-এর পথচলা।

দ্য ঢাকা রিপোর্টের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় তাসনিয়া ইরা বলেন, ‘যখন আপুরা একই ব্যাগ নিজেও কেনে আবার অন্যকেও গিফট করে; সেটা দেখে নিজের মধ্যে এক ধরনের ভালো লাগার অনুভূতি কাজ করে। গ্রাহকদের এই আস্থা একদিনে তৈরি হয়নি। ধীরে ধীরে তারা দ্য হকার্স-এর ওপর ভরসা করতে শুরু করেছেন এটা আমাদের বড় অর্জন।’

তাসনিয়া ইরা মনে করেন, নিজের কাজের প্রতি আগ্রহ, আর গ্রাহকের কাছে ব্যবসায়িক সততা ধরে রাখাটা জরুরি। নিষ্ঠার সঙ্গে যে কোনও কাজে লেগে থাকলেই সাফল্য ধরা দেবেই।

Share.

Leave A Reply