উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হলেন যারা

নিউজ ডেস্ক, দ্য ঢাকা রিপোর্ট ডটকম: উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় ১২৩টি উপজেলার মধ্যে বেশিরভাগ জায়গায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। দ্বিতীয় অবস্থানেও রয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা। রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রাঙামাটি জেলার ৫টি উপজেলার ফল পাওয়া যায়নি ও গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ ও দিনাজপুর সদর উপজেলার নির্বাচন স্থগিত রয়েছে। গতকাল সোমবার পাঁচ বিভাগে ১১৬টি উপজেলা পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে ৭৫, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ২৮, জেএসএস (সন্তু লারমা) ৩, বিএনপির বহিস্কৃত ১, জাতীয় পার্টির ১ ও স্বতন্ত্র ৮ জন বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

দ্বিতীয় দফায় ভোটের আগেই ছয় উপজেলার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন। এসব উপজেলার মধ্যে রয়েছে- নওগাঁ সদর, পাবনা সদর, ফরিদপুর সদর, নোয়াখালীর হাতিয়া, চট্টগ্রামের মিরসরাই ও রাউজান। এ ছাড়া ২৩ উপজেলায় চেয়ারম্যান, ১৩ উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান এবং ১২ উপজেলায় নারী ভাইস চেয়ারম্যান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হন।

ঢাকা বিভাগ: ফরিদপুর সদরে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা; বোয়ালমারীতে বিজয়ী আওয়ামী লীগের মোশারফ হোসেন (৪৭৩৩৪), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী লিটন মৃধা (৪৩২৪৯); চরভদ্রাসনে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশারফ হোসেন (ভিপি মোশা) (৯৬৯৮), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার মোল্লা (৬১৩৮); আলফাডাঙ্গাতে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে এম জাহিদুল হাসান (১৩৬৩০), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের এস এম আকরাম হোসেন (৯৪৮৮); মধুখালীতে বিজয়ী আওয়ামী লীগের  মির্জা মনিরুজ্জামান বাচ্চু (৪১৬৬৫), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম মনসুর নান্নু (৩২৭০৫); সদরপুরে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী সফিকুর রহমান সফিক (৩৬৬৮২), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের সায়েদীদ গামাল লিপু (৩৪৬৩৩); ভাঙ্গাতে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম আল হাবিব (৪৫০৮৬), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের জাকির হোসেন (২৭২৫৯); সালথাতে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী ওদুদ মাতব্বর (৩২১১২), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের দেলোয়ার হোসেন (২৩২৮৫); নগরকান্দাতে বিজয়ী আওয়ামী লীগের মনিরুজ্জামান সরকার (২৯৬৭০), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী শাহ জামাল বাবু (২৯০৫৯)।

হাতিয়ায় বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের মাহবুব মোর্শেদ লিটন, চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে আওয়ামী লীগের মো. জসিম উদ্দিন, সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগের এসএম আল মামুন, সন্দ্বীপে আওয়ামী লীগের মো. শাহজাহান, রাউজানে আওয়ামী লীগের এহেছানুল হায়দার চৌধুরী, হাটহাজারীতে আওয়ামী লীগের এসএম রাশেদুল আলম এবং রাঙ্গুনিয়ায় আওয়ামী লীগের খলিলুর রহমান চৌধুরী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া ফটিকছড়িতে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু তৈয়ব নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ছাত্রলীগের সাবেক নেতা।

সাত উপজেলার মধ্যে আওয়ামী লীগ ৬টিতে এবং একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয় পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী স্থানীয় বিএনপির নেতা। বান্দরবান সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের একেএম জাহাঙ্গীর, রোয়াংছড়িতে আওয়ামী লীগের চহাইমং মারমা, রুমায় আওয়ামী লীগের উহ্লাসিং মারমা, থানচিতে আওয়ামী লীগের থোয়াইহ্লামং মারমা, নাইক্ষ্যংছড়িতে আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ শফিউলল্গাহ, লামায় আওয়ামী লীগের মোস্তফা জালাল এবং আলী কদমে স্বতন্ত্র থেকে আবুল কালাম নির্বাচিত হয়েছেন।

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিশ্ব প্রদীপ ত্রিপুরা, লক্ষ্মীছড়িতে আওয়ামী লীগের বাবুল চৌধুরী, দীঘিনালায় আওয়ামী লীগের হাজি মো. কাশেম, মাটিরাঙ্গায়, আওয়ামী লীগের রফিকুল ইসলাম, মহালছড়িতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এম এন লারমা) বিমল কান্তি চাকমা নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া পানছড়িতে তিনটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত রয়েছে। ওই কেন্দ্র ছাড়াই প্রসীত খীসার নেতৃত্বাধীন ‘ইউপিডিএফ’ প্রার্থী শান্তি জীবন চাকমা বিপুল ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে আছেন বলে জানা গেছে। এর আগে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের মো. শানে আলম এবং মানিকছড়িতে আওয়ামী লীগের মো. জয়নাল আবেদীন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

রাঙামাটি সদর উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের শহীদুজ্জামান মহসীন রোমান (২৫,৫৩৮), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেএসএস (সন্তু লারমা) সমর্থিত অরুণ কান্তি চাকমা (১৭,৭৩৮) ভোট, বরকলের বিজয়ী জেএসএস (সন্তু লারমা) সমর্থিত বিধান চাকমা (১২,৭৭৮) ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের সুবির কুমার চাকমা (৮,১০২) ভোট, বিলাইছড়িতে বিজয়ী জেএসএস (সন্তু লারমা) সমর্থিত বীরোত্তম তংচংগ্যা (৬,৪৪৬) ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের জয়সেন তংচংগ্যা (৪,৭৯৮) ভোট, জুরাছড়িতে বিজয়ী জেএসএস (সন্তু লারমা) সমর্থিত সুরেজ কান্তি চাকমা (৭,৫৩৯) ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের রূপ কুমার চাকমা (২,২৫৫ ) ভোট এবং কাউখালীতে বিজয়ী আওয়ামী লীগের শামসুদ্দোহা চৌধুরী (২৬,৬৮০) ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্জুন মনি চাকমা (৭,৫০৪) ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। রাত ১টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রাঙামাটির আরও পাঁচ উপজেলার ফল পাওয়া যায়নি।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী ফজলুল করিম সাঈদী (৫৭৭০৫) ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী (২৯৯৮৯) ভোট পেয়েছেন। বিজয়ী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি।

রংপুর বিভাগ:  এ বিভাগে ২৯ উপজেলার মধ্যে আওয়ামী লীগের ১৯ জন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ৮ জন ও জাপা ১ জন বিজয়ী হয়েছেন। এই বিভাগে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ভোট স্থগিত রয়েছে। রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের মো. রুহুল আমিন, কাউনিয়া উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের আনোয়ারুল ইসলাম মায়া, তারাগঞ্জ উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের আনিসুর রহমান লিটন (৪২৩৭২), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র শাহিনুর ইসলাম র্মাশাল (১৮৯২২), পীরগাছা উপজেলায় বিজয়ী জাতীয় পার্টির আবু নাসের শাহ মোহাম্মাদ মাহবুবার রহমান (৫৫৮৬০), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মিলন (৪০৯৫৭), বদরগঞ্জ উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের ফজলে রাব্বি সুইট (৫৮৩০১ ), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র সাইদুল ইসলাম (৬৮০০) ও পীরগঞ্জ উপজেলায় এগিয়ে আওয়ামী লীগের নূর মোহাম্মদ মন্ডল (৭৩০১৯), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মোকারম হোসেন চৌধুরী জাহাঙ্গীর (২৭৯০৯)।

ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের অরুনাংশু দত্ত টিটু (২৬৭২৬), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ন্যাপের রাজিউল ইসলাম (২৫৩২). পীরগঞ্জ উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের আখতারুল ইসলাম (৫৮০৭২), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র ইসাহাক আলী (৩২৪৩৩), হরিপুর উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের জিয়াউল ইসলাম মুকুল (৩২৭০৯), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র এ কে এম শামীম ফেরদৌস টগর (২৮৩০৮), বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আলী আসলাম জুয়েল (৩৬১৯৬), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র মো. সফিকুল ইসলাম (২৯৯৬৩), রানীশংকৈল উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শাহারিয়ার আজম মুন্না (৫২৮৮২), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মো.সইদুল হক (২৯৯৬৩)।

গাইবান্ধা জেলার গাইবান্ধা সদর উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রাথী শাহ সারোয়ার কবির (৩৯৫৫৫), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের পিয়ারুল ইসলাম (২৯৫০৬), সাদুল্যাপুর উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের শাহারিয়ার খান বিপ্লব (৩২৭৭৯), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ফজলুল হক রানা (৩০৫৬০), উচ্চ আদালতের নির্দেশে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ভোট স্থগিত রয়েছে। সাঘাটা উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী জাহাঙ্গীর কবির (৪৫৯৫৩), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের শামসীল আরেফিন (৪০৯১১), পলাশবাড়ী উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের এ কে এম মোকসেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ (৫৬৯৪৭), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পর্টির মমতাজ উদ্দিন (১০৩৮০) ও ফুলছড়ি উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের জিএম সেলিম পারভেজ (৩৪৮০৬), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র আবু সাইদ সরকার (১৪০৩৯)।

দিনাজপুর জেলার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় হাকিমপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের হারুন অর রশিদ, ঘোড়াঘাট উপজেলায় আওয়ামী লীগের আবদুর রাফে খন্দকার শহেনশাহ ও পার্বতীপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের হাফিজুল ইসলাম প্রামাণিক নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া কাহারোল উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আবদুল মালেক সরকার (২৬০২১) নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের এ কে এম ফারুক (২৪৪৩০), বোচাগঞ্জ উপজেলায় বিজয়ী জাতীয় পার্টির এ্যাডভোকেট জুলফিকার হোসেন (৩০৭৬৮), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আফসার আলী (২৬৬১৪), চিরিরবন্দর উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী তারিকুল ইসলাম (৮৩৮৩৯), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আহসানুল আলম মুকুল (২৯৪৫৯), ফুলবাড়ী উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের আতাউর রহমান মিল্টন (৩৫১৩৭), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী সুদর্শন পালিত (৩৩৩৮২), বিরামপুর উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী খায়রুল আলম রাজু (৩৭৫২১), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের পারভেজ কবীর (৩৫৬৭১), বীরগঞ্জ উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের আমিনুল ইসলাম (২৮৩৪৬), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী দিনেশ চন্দ্র মহন্ত (২৭৫৮৭), নবাবগঞ্জ উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের আতাউর রহমান (৪৭১৫৫), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হাফিজুর রহমান (১৮০৪৫), বিরল উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের মোস্তাফিজুর রহমান বাবু (৫২৫১৩), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পর্টির এ্যাডভোকেট সুধীর চন্দ্র শীল (১২৯৬২) ও খানসামা উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আবু হাতেম (২৯৪৫৯), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের সফিকুল আযম চৌধুরী লায়ন (২৫০০৪)।

এছাড়া দিনাজপুর জেলার সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের ইমদাদ সরকার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হলেও ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন স্থগিত থাকায় ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি।

চট্টগ্রাম বিভাগ:  নোয়াখালীর হাতিয়ায় বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের মাহবুব মোর্শেদ লিটন, চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে আওয়ামী লীগের মো. জসিম উদ্দিন, সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগের এসএম আল মামুন, সন্দ্বীপে আওয়ামী লীগের মো. শাহজাহান, রাউজানে আওয়ামী লীগের এহেছানুল হায়দার চৌধুরী, হাটহাজারীতে আওয়ামী লীগের এসএম রাশেদুল আলম এবং রাঙ্গুনিয়ায় আওয়ামী লীগের খলিলুর রহমান চৌধুরী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে। এছাড়া ফটিকছড়িতে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু তৈয়ব নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ছাত্রলীগের সাবেক নেতা।

সাত উপজেলার মধ্যে আওয়ামী লীগ ৬টিতে এবং একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয় পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী স্থানীয় বিএনপির নেতা। বান্দরবান সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের একেএম জাহাঙ্গীর, রোয়াংছড়িতে আওয়ামী লীগের চহাইমং মারমা, রুমায় আওয়ামী লীগের উহ্লাসিং মারমা, থানচিতে আওয়ামী লীগের থোয়াইহ্লামং মারমা, নাইক্ষ্যংছড়িতে আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ শফিউলল্গাহ, লামায় আওয়ামী লীগের মোস্তফা জালাল এবং আলী কদমে স্বতন্ত্র থেকে আবুল কালাম নির্বাচিত হয়েছেন।

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিশ্ব প্রদীপ ত্রিপুরা, লক্ষ্মীছড়িতে আওয়ামী লীগের বাবুল চৌধুরী, দীঘিনালায় আওয়ামী লীগের হাজী মো. কাশেম, মাটিরাঙ্গায়, আওয়ামী লীগের রফিকুল ইসলাম, মহালছড়িতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এম এন লারমা) বিমল কান্তি চাকমা নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া পানছড়িতে তিনটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত রয়েছে। ওই কেন্দ্র ছাড়াই প্রসীত খীসা’র নেতৃত্বাধীন ‘ইউপিডিএফ’ প্রার্থী শান্তি জীবন চাকমা বিপুল ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে আছেন বলে জানা গেছে। এর আগে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের মো: শানে আলম এবং মানিকছড়িতে আওয়ামী লীগের মো. জয়নাল আবেদীন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

রাঙামাটি সদর উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের শহীদুজ্জামান মহসীন রোমান (২৫,৫৩৮), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেএসএস (সন্তু লারমা) সমর্থিত অরুন কান্তি চাকমা (১৭,৭৩৮) ভোট, বরকলের বিজয়ী জেএসএস (সন্তু লারমা) সমর্থিত বিধান চাকমা (১২,৭৭৮) ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের সুবির কুমার চাকমা (৮,১০২) ভোট, বিলাইছড়িতে বিজয়ী জেএসএস (সন্তু লারমা) সমর্থিত বীরোত্তম তংচংগ্যা (৬,৪৪৬) ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের জয়সেন তংচংগ্যা (৪,৭৯৮) ভোট, জুরাছড়িতে বিজয়ী জেএসএস(সন্তু লারমা) সমর্থিত সুরেজ কান্তি চাকমা (৭,৫৩৯) ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের রূপ কুমার চাকমা (২,২৫৫ ) ভোট এবং কাউখালীতে বিজয়ী আওয়ামী লীগের শামসুদ্দোহা চৌধুরী (২৬,৬৮০) ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্জুন মনি চাকমা (৭,৫০৪) ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। রাত ১টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রাঙামাটির আরও পাঁচ উপজেলার ফলাফল পাওয়া যায়নি।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী ফজলুল করিম সাঈদী (৫৭৭০৫) ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী (২৯৯৮৯) ভোট পেয়েছেন। বিজয়ী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি।

 

সিলেট বিভাগ: এ বিভাগের ১৯টি উপজেলার মধ্যে ১৯টির ফল পাওয়া যায়। এর মধ্যে ১০টিতে আওয়ামী লীগ ও ৯টিতে আওয়ামী লীগেরই বিদ্রোহী প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে সিলেট ১২ উপজেলার মধ্যে ৭টিতে আওয়ামী লীগ ও ৫টিতে দলের বিদ্রোহী প্রার্থীরা চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। মৌলভীবাজারের সাতটি উপজেলার মধ্যে চারটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। তিনটিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

সিলেট জেলার বালাগঞ্জ উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের মোস্তাকুল রহমান মফুর (২৫,২৮৪), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বহিস্কৃত আফতাল মিয়া (৮,০৮৮)। জৈন্তাপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী কামাল আহমদ (৩১,১০৬), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের লিয়াকত আলী (২১,৯৯৫)। দক্ষিণ সুরমায় আওয়ামী লীগের আবু জাহিদ (১৮,৩৭৩), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মইনুল ইসলাম (১৪,১২৭)। কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী শামীম আহমদ (২৮,৪১৭), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর আলম (২২,৩৯০)। কানাইঘাট উপজেলায় আওয়ামী লীগের আব্দুল মোমিন চৌধুরী (২৯,৭০৯), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোস্তাক আহমদ পলাশ (২০,৯০৪)। ফেঞ্চুগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী নুরুল ইসলাম (১২,৬৬৯), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ওহিদুজ্জামান চৌধুরী সুফি (৬,৬৮৭)। সিলেট সদরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আশফাক আহমদ (৪৫,৩৬৮), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বহিস্কৃত নেতা মাজহারুল ইসলাম ডালিম (২৫,৭৪৭)। গোয়াইনঘাটে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ফারুক আহমদ (২৯,৯১২), তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শাহ আলম স্বপন (১৯,২৪৫)। জকিগঞ্জে আওয়ামী লীগের লোকমান আহমদ চৌধুরী (৪৮,২৩৯), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির মর্তুজা আহমদ চৌধুরী (১১,৩৫২)। বিশ্বনাথ উপজেলায় আওয়ামী লীগের এসএম নুনু মিয়া (৩১,৫২২), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সুহেল চৌধুরী (১৮,৫৯৬)। বিয়ানীবাজারে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আবুল কাশেম পল্লব (৩২,৮৫৭), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আতাউর রহমান খান (১৪,৪৫৬)। গোলাপগঞ্জে আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী (৫৯,৬৬০), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাওলানা রশিদ আহমদ (১,৫৯২)।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের কামাল হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। জেলার কুলাউড়ায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শফি আহমদ সলমন (৫৪,০০৭), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আ স ম কামরুল ইসলাম (২৪,১৩২)। শ্রীমঙ্গলে আওয়ামী লীগের রণজিৎ কুমার দেব (৫১,৪৪০), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আফজাল হক (১৪,৫৮০)। বড়লেখায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী সোয়েব আহমদ (৪৩,০৪৪), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের রফিকুল ইসলাম সুন্দর (২০,৫৭৩), জুড়ীতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এম এ মুঈদ ফারুক (২৫,০০১), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীও আওয়ামী লীগের আরেক বিদ্রোহী কিশোর রায় চৌধুরী মণি (২১,০০৬)। রাজনগরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মোহাম্মদ শাজাহান খান (২৭,৪৩৫), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগেরই বিদ্রোহী মিজবাউদ্দোজা বেলাই (২০,৮২২), কমলগঞ্জে আওয়ামী লীগের অধ্যাপক রফিকুর রহমান (৪৯,৫১১), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল (১৯,৫১১)।

রাজশাহী বিভাগ: বিভাগের ৩২টি উপজেলার মধ্যে আওয়ামী লীগের ২২, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ৯ এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। বগুড়ার ১২টি উপজেলার মধ্যে দুটিতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে আদমদীঘিতে সিরাজুল ইসলাম খান রাজু এবং শেরপুরে মজিবর রহমান মজনু। গতকাল সোমবার ১০টি উপজেলায় নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের ৭ এবং আওয়ামী লীগের দুই বিদ্রোহী ও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। গাবতলীতে আওয়ামী লীগের রফি নেওয়াজ খান রবিন (১,৩৮২০৮), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি থেকে বহিস্কৃত একিউএম ডিসেন্ট সুমন (৩১০৫), নন্দীগ্রামে আওয়ামী লীগের রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ (১৯৪৬৫), তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি থেকে বহিস্কৃত মোহাম্মদ আলেকজান্ডার (১৩৯৫৭), শিবগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজ আহম্মেদ রিজু (৬২৫৯০), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আজিজুল হক (২৬৮৯০), সোনাতলায় আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট মিনহাদুজ্জামান লিটন (৪৮৯০৪), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি থেকে বহিস্কৃত জিয়াউল হক লিপন (৫১২১), কাহালুতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আল হাসিবুল হাসান সুরুজ (৩১৭৩২), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আব্দুল মান্নান (২০৭৬৩), ধুনটে আওয়ামী লীগের আব্দুল হাই খোকন (৩২৯৩), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি থেকে বহিস্কৃত আলীমুদ্দিন হারুণ (১৩৫৫), শাজাহানপুরে আওয়ামী লীগের সোহরাব হোসেন ছান্নু (৩৩১৫২), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি থেকে বহিস্কৃত আবুল বাশার (১৫৮৮৩), দুপচাঁচিয়ায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ফজলুল হক, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মিজানুর রহমান খান সেলিম, বগুড়া সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের আবু সুফিয়ান সফিক (৩৭৫৯২), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি থেকে বহিস্কৃত মাফতুন আহমেদ খান রুবেল (১২২১৬), সারিয়াকান্দিতে আওয়ামী লীগের মুনজিল আলী সরকার (২১২১১), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি থেকে বহিস্কৃত টিপু সুলতান (১১৭৬৭)।

পাবনার ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের নুরুজ্জামান বিশ্বাস (৪১৯৪৫), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মকলেছুর রহমান মিন্টু (১৯২৩৭), আটঘরিয়ায় আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী মো. তানভীর ইসলাম (২৭১৫৯), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের অপর বিদ্রোহী ইশারত আলী (১৬২৪৬), চাটমোহরে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী আব্দুল হামিদ মাস্টার (৪২১৪২), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন সাখে (৩৭২৫৬), ভাঙ্গুড়ায় আওয়ামী লীগের মো. বাকি বিল্লাহ (৩৫৮০৯), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মো. মেছবাহ (৪২১৭), ফরিদপুরে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী গোলাম হোসেন গোলাপ (২৫৮৭৪), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মো. খলিলুর রহমান সরকার (১৪২১৮), সাঁথিয়ায় আওয়ামী লীগের আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ দেলোয়ার (৫০২১২), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবু তালেব প্রামানিক জামায়াতের স্বতন্ত্র (১০২১৯), বেড়ায় আওয়ামী লীগের মো. আব্দুল কাদের (৩০৮০৭), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আফজাল হোসেন (১৩৯৮৮)। এ জেলায় এর আগে ২ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন পাবনা সদরের আলহাজ মোশারফ হোসেন ও সুজানগরে শাহিনুজ্জামান শাহিন।

নওগাঁর ১১ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের ৭ ও বিদ্রোহী ৪ জন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে সদরে আওয়ামী লীগের আলহাজ মো. রফিকুল ইসলাম রফিক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। অপর ১০টি উপজেলার মধ্যে আওয়ামী লীগ পেয়েছে ৬টি ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ৪ জন নির্বাচিত হয়েছেন। পোরশায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী অধ্যক্ষ শাহ মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী (৪২৮৯৯) জয়ী হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ মো, আনোয়ারুল ইসলাম (১৯৫০০), সাপাহারে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আলহাজ শাহাজান আলী মন্ডল (৫০৪৩০), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আলহাজ শামসুল আলম শাহ চৌধুরী (২৫৩৯৯), নিয়ামতপুরে আওয়ামী লীগের ফরিদ আহমেদ (৮০৮৫৬), নিকটতম প্রার্থী বিএনপির স্বতন্ত্র ছাদরুল আমীন চৌধুরী (১৯৭৫৭), পত্নীতলায় আওয়ামী লীগের মো. আব্দুল গাফ্‌ফার (৬২৯৯৯), নিকটতম আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী কাজী মাহমুদুল আলম (৯৭৬৫), ধামইরহাটে আওয়ামী লীগ মনোনীত আলহাজ মো. আজাহার আলী মন্ডল (৩৬৪৯২), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হানজালা (১৫৮৯), মহাদেবপুরে আওয়ামী লীগের আহসান হাবিব ভোদন (৬৮২৮৫), নিকটতম বিএনএফের জাবেদ আলী পাটোয়ারী (৪২৬১), বদলগাছীতে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী মো. শামসুল আলম খান (৩৯৭১৫), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আবু খালেদ বুলু (২০৭০৪), মান্দায় আওয়ামী লীগের সরদার জসিম উদ্দিন (৬৭৭৬৯), নিকটতম বিএনপির স্বতন্ত্র এস এম আহসান হাবিব (৩৮১৭), রানীনগরে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী আনোয়ার হোসেন হেলাল (৩৭৯৭৮), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মো. আনোয়ার হোসেন (১৩৪৪১), আত্রাইতে আওয়ামী লীগের ও বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ এবাদুর রহমান প্রামানিক (৩৯৮০০), নিকটতম আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আলহাজ আজিজুর রহমান পলাশ (১২৯০৬)।

রংপুর বিভাগ:  এ বিভাগে ২৯ উপজেলার মধ্যে আওয়ামী লীগ ১৯, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ৮ ও জাপার ১ জন বিজয়ী হয়েছেন। এ বিভাগে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ভোট স্থগিত রয়েছে। রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের মো. রুহুল আমিন, কাউনিয়া উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের আনোয়ারুল ইসলাম মায়া, তারাগঞ্জ উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের আনিসুর রহমান লিটন (৪২৩৭২), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র শাহিনুর ইসলাম মার্শাল (১৮৯২২), পীরগাছা উপজেলায় বিজয়ী জাতীয় পার্টির আবু নাসের শাহ মোহাম্মাদ মাহবুবার রহমান (৫৫৮৬০), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মিলন (৪০৯৫৭), বদরগঞ্জ উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের ফজলে রাব্বি সুইট (৫৮৩০১), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র সাইদুল ইসলাম (৬৮০০) ও পীরগঞ্জ উপজেলায় এগিয়ে আওয়ামী লীগের নূর মোহাম্মদ মণ্ডল (৭৩০১৯), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মোকারম হোসেন চৌধুরী জাহাঙ্গীর (২৭৯০৯)।

ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের অরুনাংশু দত্ত টিটু (২৬৭২৬), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ন্যাপের রাজিউল ইসলাম (২৫৩২). পীরগঞ্জ উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের আখতারুল ইসলাম (৫৮০৭২), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র ইসাহাক আলী (৩২৪৩৩), হরিপুর উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের জিয়াউল ইসলাম মুকুল (৩২৭০৯), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র একেএম শামীম ফেরদৌস টগর (২৮৩০৮), বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আলী আসলাম জুয়েল (৩৬১৯৬), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র মো. সফিকুল ইসলাম (২৯৯৬৩), রানীশংকৈল উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শাহারিয়ার আজম মুন্না (৫২৮৮২), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মো. সইদুল হক (২৯৯৬৩)।

গাইবান্ধা জেলার গাইবান্ধা সদর উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শাহ সারোয়ার কবির (৩৯৫৫৫), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের পিয়ারুল ইসলাম (২৯৫০৬), সাদুল্যাপুর উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের শাহারিয়ার খান বিপ্লব (৩২৭৭৯), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ফজলুল হক রানা (৩০৫৬০), উচ্চ আদালতের নির্দেশে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ভোট স্থগিত রয়েছে। সাঘাটা উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী জাহাঙ্গীর কবির (৪৫৯৫৩), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের শামসীল আরেফিন (৪০৯১১), পলাশবাড়ী উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের একেএম মোকসেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ (৫৬৯৪৭), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির মমতাজ উদ্দিন (১০৩৮০) ও ফুলছড়ি উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের জিএম সেলিম পারভেজ (৩৪৮০৬), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র আবু সাইদ সরকার (১৪০৩৯)।

দিনাজপুর জেলার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হাকিমপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের হারুন অর রশিদ, ঘোড়াঘাট উপজেলায় আওয়ামী লীগের আবদুর রাফে খন্দকার শাহেনশাহ ও পার্বতীপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের হাফিজুল ইসলাম প্রামাণিক নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া কাহারোল উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আবদুল মালেক সরকার (২৬০২১) নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের এ কে এম ফারুক (২৪৪৩০), বোচাগঞ্জ উপজেলায় বিজয়ী জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট জুলফিকার হোসেন (৩০৭৬৮), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আফসার আলী (২৬৬১৪), চিরিরবন্দর উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী তারিকুল ইসলাম (৮৩৮৩৯), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আহসানুল আলম মুকুল (২৯৪৫৯), ফুলবাড়ী উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের আতাউর রহমান মিল্টন (৩৫১৩৭), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী সুদর্শন পালিত (৩৩৩৮২), বিরামপুর উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী খায়রুল আলম রাজু (৩৭৫২১), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের পারভেজ কবীর (৩৫৬৭১), বীরগঞ্জ উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের আমিনুল ইসলাম (২৮৩৪৬), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী দিনেশ চন্দ্র মহন্ত (২৭৫৮৭), নবাবগঞ্জ উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের আতাউর রহমান (৪৭১৫৫), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হাফিজুর রহমান (১৮০৪৫), বিরল উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের মোস্তাফিজুর রহমান বাবু (৫২৫১৩), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পর্টির অ্যাডভোকেট সুধীর চন্দ্র শীল (১২৯৬২) ও খানসামা উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আবু হাতেম (২৯৪৫৯), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের সফিকুল আযম চৌধুরী লায়ন (২৫০০৪)।

এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের ইমদাদ সরকার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হলেও ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন স্থগিত থাকায় ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি

চট্টগ্রাম বিভাগ:  নোয়াখালীর হাতিয়ায় বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের মাহবুব মোর্শেদ লিটন, চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে আওয়ামী লীগের মো. জসিম উদ্দিন, সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগের এসএম আল মামুন, সন্দ্বীপে আওয়ামী লীগের মো. শাহজাহান, রাউজানে আওয়ামী লীগের এহেছানুল হায়দার চৌধুরী, হাটহাজারীতে আওয়ামী লীগের এসএম রাশেদুল আলম এবং রাঙ্গুনিয়ায় আওয়ামী লীগের খলিলুর রহমান চৌধুরী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে। এছাড়া ফটিকছড়িতে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু তৈয়ব নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ছাত্রলীগের সাবেক নেতা।

সাত উপজেলার মধ্যে আওয়ামী লীগ ৬টিতে এবং একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয় পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী স্থানীয় বিএনপির নেতা। বান্দরবান সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের একেএম জাহাঙ্গীর, রোয়াংছড়িতে আওয়ামী লীগের চহাইমং মারমা, রুমায় আওয়ামী লীগের উহ্লাসিং মারমা, থানচিতে আওয়ামী লীগের থোয়াইহ্লামং মারমা, নাইক্ষ্যংছড়িতে আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ শফিউলল্গাহ, লামায় আওয়ামী লীগের মোস্তফা জালাল এবং আলী কদমে স্বতন্ত্র থেকে আবুল কালাম নির্বাচিত হয়েছেন।

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিশ্ব প্রদীপ ত্রিপুরা, লক্ষ্মীছড়িতে আওয়ামী লীগের বাবুল চৌধুরী, দীঘিনালায় আওয়ামী লীগের হাজী মো. কাশেম, মাটিরাঙ্গায়, আওয়ামী লীগের রফিকুল ইসলাম, মহালছড়িতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এম এন লারমা) বিমল কান্তি চাকমা নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া পানছড়িতে তিনটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত রয়েছে। ওই কেন্দ্র ছাড়াই প্রসীত খীসা’র নেতৃত্বাধীন ‘ইউপিডিএফ’ প্রার্থী শান্তি জীবন চাকমা বিপুল ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে আছেন বলে জানা গেছে। এর আগে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের মো: শানে আলম এবং মানিকছড়িতে আওয়ামী লীগের মো. জয়নাল আবেদীন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

রাঙামাটি সদর উপজেলায় বিজয়ী আওয়ামী লীগের শহীদুজ্জামান মহসীন রোমান (২৫,৫৩৮), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেএসএস (সন্তু লারমা) সমর্থিত অরুন কান্তি চাকমা (১৭,৭৩৮) ভোট, বরকলের বিজয়ী জেএসএস (সন্তু লারমা) সমর্থিত বিধান চাকমা (১২,৭৭৮) ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের সুবির কুমার চাকমা (৮,১০২) ভোট, বিলাইছড়িতে বিজয়ী জেএসএস (সন্তু লারমা) সমর্থিত বীরোত্তম তংচংগ্যা (৬,৪৪৬) ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের জয়সেন তংচংগ্যা (৪,৭৯৮) ভোট, জুরাছড়িতে বিজয়ী জেএসএস(সন্তু লারমা) সমর্থিত সুরেজ কান্তি চাকমা (৭,৫৩৯) ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের রূপ কুমার চাকমা (২,২৫৫ ) ভোট এবং কাউখালীতে বিজয়ী আওয়ামী লীগের শামসুদ্দোহা চৌধুরী (২৬,৬৮০) ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্জুন মনি চাকমা (৭,৫০৪) ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। রাত ১টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রাঙামাটির আরও পাঁচ উপজেলার ফলাফল পাওয়া যায়নি।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী ফজলুল করিম সাঈদী (৫৭৭০৫) ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী (২৯৯৮৯) ভোট পেয়েছেন। বিজয়ী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি।

 

Share.

Leave A Reply